আবহাওয়াআইপিএল-2026টাকা পয়সাপশ্চিমবঙ্গভারতব্যবসাচাকরিস্বাস্থ্যপ্রযুক্তিলাইফস্টাইলশেয়ার বাজারমিউচুয়াল ফান্ডআধ্যাত্মিকঅন্যান্য
---Advertisement---

শিশুদের জন্য ১২ টাকা, গোরুর খাবারে ৪০ টাকা: নওশাদ সিদ্দিকীর প্রশ্ন!

Published on: August 15, 2025
মধ্যপ্রদেশে শিশুদের অপুষ্টির জন্য ৮ টাকা, গোরুর খাবারে ৪০ টাকা:
---Advertisement---

রাজ্যের অপুষ্টির হার ৭.৭৯ শতাংশ, যা জাতীয় গড় ৫.৪০ শতাংশের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। শেওপুর, ধর, খারগোন, বরওয়ানি, ছিন্দওয়াড়া এবং বালাঘাটের মতো

জেলাগুলিতে অপুষ্টির সমস্যা বিশেষভাবে গুরুতর। রিপোর্ট অনুযায়ী, এই অঞ্চলগুলিতে প্রতি চারজন শিশুর মধ্যে একজন গুরুতর অপুষ্টিতে ভুগছে।

পশ্চিমবঙ্গের বিধায়ক (ISF) নওশাদ সিদ্দিকী এই বৈষম্য নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, একটি বৈঠকে হাজার হাজার টাকা

জল খাবারের জন্য খরচ করেন, অথচ অপুষ্ট শিশুদের জন্য মাত্র ৮-১২ টাকা বরাদ্দ। এটি আমাদের অগ্রাধিকার নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলছে।

মধ্যপ্রদেশে অপুষ্টির হার ৭.৭৯ শতাংশ, যা জাতীয় গড় ৫.৪০ শতাংশের তুলনায় অনেক বেশি। শেওপুর, ধর, খারগোন, বরওয়ানি,

ছিন্দওয়াড়া এবং বালাঘাট জেলায় অপুষ্টির সমস্যা বিশেষভাবে তীব্র। এই জেলাগুলিতে প্রায় প্রতি চারজন শিশুর মধ্যে একজন গুরুতর অপুষ্টিতে ভুগছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অপুষ্টি শুধু শিশুদের শারীরিক বিকাশই নয়, তাদের মানসিক বিকাশেও দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি করে

শিশুদের জন্য মাথাপিছু দৈনিক ৮-১২ টাকা বরাদ্দ অপ্রতুল বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। একটি সুষম খাদ্যের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি এই পরিমাণে সরবরাহ করা কার্যত অসম্ভব।

অন্যদিকে, গোরুর জন্য ৪০ টাকা বরাদ্দের বিষয়টি রাজ্যের অগ্রাধিকার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। একজন সমাজকর্মী নাম প্রকাশ না করে বলেন, “শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিত করা একটি রাজ্যের ভবিষ্যৎ বিনিয়োগ। এই বৈষম্য গ্রহণযোগ্য নয়।”

নারী ও শিশু উন্নয়ন মন্ত্রী নির্মলা ভুরিয়া জানিয়েছেন,অপুষ্টি মোকাবিলায় তহবিল বাড়ানোর জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে আবেদন করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, “আমরা আঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলির মাধ্যমে শিশুদের পুষ্টিকর খাবার সরবরাহের চেষ্টা করছি।” তবে, বিরোধী দল এবং সমাজকর্মীরা দাবি করছেন, শুধু তহবিল বাড়ানোই নয়, সঠিক পরিকল্পনা এবং বাস্তবায়নের উপর জোর দেওয়া প্রয়োজন।

অপুষ্টির এই সংকট কেবল সরকারের দায়িত্ব নয়, সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষের সচেতনতা এবং অংশগ্রহণ প্রয়োজন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্থানীয় সম্প্রদায়, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এবং সরকারের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এই সমস্যা মোকাবিলা সম্ভব। শিশুদের পুষ্টি ও স্বাস্থ্য নিশ্চিত করা আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

ইন্ডিভাব নিউজ ডেস্ক: আমরা কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষে বা বিপক্ষে নই। আমাদের লক্ষ্য সত্য ও নিরপেক্ষ তথ্য জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়া। আসুন, আমরা সকলে মিলে শিশুদের জন্য একটি সুস্থ ভবিষ্যৎ গড়তে কাজ করি।

সূত্র: মধ্যপ্রদেশ বিধানসভার সরকারি তথ্য, বিশেষজ্ঞদের মতামত।

Sk Md Mejanur

দিনরাত পত্রিকা একদল উদ্যমী এবং অভিজ্ঞ সাংবাদিক, প্রতিবেদক, বিষয়বস্তু লেখক, সম্পাদক, ভিডিও নির্মাতা এবং প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের দ্বারা পরিচালিত।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

Leave a Comment